১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস পালিত

স্বাধীনতার মহান স্থপতি, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এঁর ৪৬তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস  যথাযোগ্য মর্যাদায় ও ভাবগম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পালিত হয়। সূর্যোদয়ের সাথে সাথে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ, কালো পতাকা উত্তোলন ও কালো ব্যাজ ধারণ করা হয়। সকালে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের অংশগ্রহণে একটি শোক র‌্যালী মাদরাসা ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ শেষে দোয়া আদায়ের মাধ্যেমে শেষ হয়। মাদরাসার প্রধান তার বক্তৃতায়, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুসহ তাঁর পরিবারের সকল শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং তাঁদের রূহের মাগফেরাত কামনা করেন। তিনি বলেন, হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালী স্বাধীনতার মহানায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শুধু একজন রাজনৈতিক নেতাই ছিলেন না, তিনি মানুষ হিসেবে ছিলেন সকল গুণের অধিকারী। তিনি কৃষিশিক্ষা, কৃষি গবেষণা ও সম্প্রসারণের গোড়া পত্তন করেন। তিনি আরো বলেন, আমরা কথা ও পোষাকে নয় কাজের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুকে ভালবেসে স্ব স্ব অবস্থান থেকে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করলেই বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে সক্ষম হবো। মুখ্য আলোচক প্রফেসর ড. মোঃ আব্দুল মান্নান আকন্দ বলেন, বঙ্গবন্ধু আপদমস্তক একজন বাঙালী ছিলেন, বাঙালী জাতির মুক্তির ত্রাতা হিসেবে তিনি বাংলার মাটিতে জন্মেছিলেন, বাংলাদেশের মানুষের উন্নয়ন ও মুক্তি ছাড়া তাঁর অন্য কোন ভাবনা ছিলোনা। সভার সভাপতি ট্রেজারার প্রফেসর তোফায়েল আহমেদ তাঁর বক্তব্যে বলেন, বঙ্গবন্ধু ছিলেন রাজনীতির কবি এবং অবিসংবাদিত জাতীয়তাবাদী নেতা। তাঁর মতো জাতীয়তাবাদী নেতা সমসাময়িক বিশ্বে ছিল বিরল। তিনি স্বাধীনতার স্বপ্ন দেখেছেন, বাঙালীকে স্বপ্ন দেখিয়েছেন এবং স্বাধীনতা উপহার দিয়েছেন।
মাদ্রাসার কেন্দ্রীয় মসজিদে ১৫ আগস্টে নিহত সকল শহীদের আত্মার মাগফেরাত, দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি, মঙ্গল কামনা করে কোরআন খতম এবং বিশেষ দোয়ার আয়োজন করা হয়। কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত সকলে অংশগ্রহণ করেন।

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *